ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর উপর নজরদারির জন্য দ্রুত ‘এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (অ্যাওয়াক্স) বহর বাড়িয়ে চলেছে চিন। সম্প্রতি চিনের নতুন সামরিক প্রস্তুতি ফাঁস হয়েছে কমার্শিয়াল স্যাটেলাইট ইমেজ়ারি সংস্থা ‘ভ্যান্টর’ প্রকাশিত উপগ্রহচিত্রে।
ওই উপগ্রহচিত্রগুলি চিনের শিয়ান-ইয়ানলিয়াং বিমানঘাঁটির বলে দাবি ভ্যান্টর কর্তৃপক্ষের। তাতে দেখা যাচ্ছে মোট চারটি বিমানবাহিক কেজে-৩০০০ অ্যাওয়াক্স। ‘উড়ন্ত রেডার’ নামে পরিচিত ওই ব্যবস্থা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফাইটার জেট ও ক্ষেপণাস্ত্রকে নিখুঁত ভাবে ‘লক্ষ্য’ চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, এই বিমানবাহিত ব্যবস্থায় একটি ‘ইন্টিগ্রেটেড রেডার ওয়ার্নিং রিসিভার’ রয়েছে, যা শত্রুর রেডারকে ‘জ্যাম’ করতে সক্ষম। এ ছাড়া শত্রুপক্ষের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত আগাম সতর্কতা দিতে সক্ষম ‘অ্যাওয়াক্স’।
চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি চার ইঞ্জিনের ওয়াই২০-বি সামরিক পরিবহণ বিমানে বসানো কেজে-৩০০০ ‘অ্যাওয়াক্স’ ৩৬০ ডিগ্রিতে অবস্থানে শত্রুপক্ষের উপর নজরদারিতে সক্ষম। ওই বিমানে ব্যবহৃ হয় চিনেরই তৈরি ডব্লিউএস-২০ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন। চিন নিয়ন্ত্রিত তিব্বত এবং ভারতের সীমান্ত থেকে ১৩০০ কিলোমিটার দূরে শিয়ান-ইয়ানলিয়াং বিমানঘাঁটিতেই চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র অন্যতম ঘাঁটি বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সামরিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার রিপোর্টে উঠে এসেছে। ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত এক বছরে দ্রুতগতিতে ‘উড়ন্ত রেডার’ নির্মাণ কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বেজিং। কেজে-৩০০০ এবং তার পূর্বসূরি কেজে-৫০০ মিলে চিনা ফৌজের হাতে প্রায় ৭০টি অ্যাওয়াক্স রয়েছে বলে প্রকাশিত কয়েকটি খবরে দাবি। অন্য দিকে, ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে রয়েছে মাত্র ছ’টি অ্যাওয়াক্স।
ওই উপগ্রহচিত্রগুলি চিনের শিয়ান-ইয়ানলিয়াং বিমানঘাঁটির বলে দাবি ভ্যান্টর কর্তৃপক্ষের। তাতে দেখা যাচ্ছে মোট চারটি বিমানবাহিক কেজে-৩০০০ অ্যাওয়াক্স। ‘উড়ন্ত রেডার’ নামে পরিচিত ওই ব্যবস্থা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফাইটার জেট ও ক্ষেপণাস্ত্রকে নিখুঁত ভাবে ‘লক্ষ্য’ চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, এই বিমানবাহিত ব্যবস্থায় একটি ‘ইন্টিগ্রেটেড রেডার ওয়ার্নিং রিসিভার’ রয়েছে, যা শত্রুর রেডারকে ‘জ্যাম’ করতে সক্ষম। এ ছাড়া শত্রুপক্ষের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত আগাম সতর্কতা দিতে সক্ষম ‘অ্যাওয়াক্স’।
চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি চার ইঞ্জিনের ওয়াই২০-বি সামরিক পরিবহণ বিমানে বসানো কেজে-৩০০০ ‘অ্যাওয়াক্স’ ৩৬০ ডিগ্রিতে অবস্থানে শত্রুপক্ষের উপর নজরদারিতে সক্ষম। ওই বিমানে ব্যবহৃ হয় চিনেরই তৈরি ডব্লিউএস-২০ টার্বোফ্যান ইঞ্জিন। চিন নিয়ন্ত্রিত তিব্বত এবং ভারতের সীমান্ত থেকে ১৩০০ কিলোমিটার দূরে শিয়ান-ইয়ানলিয়াং বিমানঘাঁটিতেই চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র অন্যতম ঘাঁটি বলে কয়েকটি আন্তর্জাতিক সামরিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার রিপোর্টে উঠে এসেছে। ওই রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত এক বছরে দ্রুতগতিতে ‘উড়ন্ত রেডার’ নির্মাণ কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বেজিং। কেজে-৩০০০ এবং তার পূর্বসূরি কেজে-৫০০ মিলে চিনা ফৌজের হাতে প্রায় ৭০টি অ্যাওয়াক্স রয়েছে বলে প্রকাশিত কয়েকটি খবরে দাবি। অন্য দিকে, ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে রয়েছে মাত্র ছ’টি অ্যাওয়াক্স।
আন্তজার্তিক ডেস্ক